ইনসাফ জিন্দাবাদ
১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা এবং ২০২৪-এর ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ধারণ করে—সাবেক সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, উদ্যমী তারুণ্য ও মেহনতি মানুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি আদর্শনিষ্ঠ, আধুনিক ও ইনসাফভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তি।
গাঢ় সবুজ জমিনে ইনসাফ ও সততার চিরন্তন প্রতীক
“রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করার সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো—তুমি তোমার চেয়ে অধম ও অযোগ্যদের দ্বারা শাসিত হবে।”
— মহান দার্শনিক প্লেটোরাজনীতি কোনো পারিবার কিংবা বিশেষ সিন্ডিকেটের ব্যবসার ক্ষেত্র নয়। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করাই জনতার দলের মূল লক্ষ্য।
প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে চরম দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থপাচারে জর্জরিত হয়েছে। ২৪-এর জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার রক্ত স্বৈরাচারের লৌহকপাট ভেঙে দিয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ২০২৫ সালের ২০ মার্চ রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জনতার দল আত্মপ্রকাশ করে।
জনতার দল বিশ্বাস করে, রাজনীতি কোনো নোংরা নর্দমা নয়—রাজনীতি হতে হবে প্রশান্ত ও স্বচ্ছ সরোবরসম। যেখানে সততা, জ্ঞান ও দক্ষতার স্ফুরণ ঘটবে। অসৎ চক্র যাতে দেশ শাসন করতে না পারে, সেজন্য যোগ্য ও ত্যাগী নাগরিকদের নির্দ্বিধায় দেশগঠনের রাজনীতিতে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাই।
অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব, বিধিবদ্ধ প্রশাসনিক সংস্কার এবং দলীয়করণমুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা। জওয়ান, নওজোয়ান ও পেশাজীবীদের সম্মিলিত শক্তিতে এক ইনসাফভিত্তিক আধুনিক কল্যাণরাষ্ট্র নির্মাণই আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য।
সাবেক সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জুলাই বিপ্লবের তরুণরা একত্রিত হয়েছেন এক অভিন্ন লক্ষ্যে—একটি ন্যায্য, স্বনির্ভর ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে। জনতার দল ব্যক্তিপূজা নয়, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে বিশ্বাসী।
কর্মজীবীর শ্রম, তরুণের উদ্ভাবন আর জওয়ানের শৃঙ্খলা—এই তিন শক্তির অভূতপূর্ব মিলনেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ, ইনসাফপূর্ণ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সকল পদবির সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ। তাঁদের সততা, আত্মত্যাগ, কঠিন শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা একটি দায়িত্বশীল ও সুশৃঙ্খল রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলব।
জুলাই আন্দোলনের বিপ্লবী তারুণ্য ও নতুন প্রজন্মের উদ্যমী মেধাবী সমাজ। তারা বাংলাদেশের আগামী দিনের স্থপতি। তাদের মেধা, বৈশ্বিক প্রযুক্তিজ্ঞান ও আধুনিকতাকে কাজে লাগিয়ে জনতার দল বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নেতৃত্বে পৌঁছে দেবে।
চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, উদ্যোক্তা, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা, কারখানার শ্রমিক ও মেহনতি কৃষক। যাঁদের ঘাম ও শ্রমে প্রতিদিন বাংলাদেশ বেঁচে থাকে, তাঁদের সম্মান, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের অগ্রাধিকার।
জ্ঞানের হাতিয়ার • ন্যায়ের স্বাক্ষর • দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
অস্ত্র কিংবা পেশিশক্তির রাজনীতি নয়—জনতার দল বিশ্বাস করে কলমের শক্তিতে। পবিত্র সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকে কলমের ডগায়; বিচারক অন্যায়কারীকে শাস্তি দেন ও মজলুমকে ইনসাফ প্রদান করেন কলমের স্বাক্ষরে।
কলম হলো মেধা, শিক্ষা, বিবেক ও সংস্কৃতির প্রতীক। দুর্নীতিগ্রস্ত কালো টাকার চক্র ভেঙে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সনদ লেখা হবে এই কলম দিয়েই। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে আপনার মূল্যবান রায় দিন জনতার দলের ‘কলম’ মার্কায়।
অবিচারের বিরুদ্ধে মানুষের নৈতিক শক্তি প্রকাশ করে কলম।
পেশিশক্তি ও সিন্ডিকেট ধ্বংস করে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন।
রাজনীতিতে সততা ও শৃঙ্খলার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে দেশবরেণ্য সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, অভিজ্ঞ সংগঠক ও তরুণ নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশ।
চেয়ারম্যান
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান / আহ্বায়ক
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মজীবনের শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও সংস্কার ভাবনা নিয়ে জনতার দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে জনতার দলের প্রার্থী।
মহাসচিব
মহাসচিব / সদস্য সচিব
দলের অন্যতম শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সাংগঠনিক কাঠামোর প্রধান সমন্বয়ক। তৃণমূলের কর্মীদের সাথে সুদৃঢ় মেলবন্ধন এবং সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।
মুখপাত্র
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুখপাত্র
দলের মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনমত তৈরিতে দায়িত্ব পালনকারী বলিষ্ঠ বক্তা। সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দলের সুনির্দিষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন।
যুব সভাপতি
সভাপতি, যুব ক্ষমতায়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ
তরুণদের স্টার্টআপ তহবিল, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিক রূপরেখা প্রণয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
কোনো ফাঁকা বুলি নয়—একটি কার্যকর, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আমাদের সুনির্দিষ্ট নীতি ও বাস্তবায়ন অঙ্গীকার।
রাজনীতি ও রাষ্ট্রের ক্ষমতা কতিপয় পরিবারের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালনা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও দুর্নীতিবাজদের পাচারকৃত অর্থ দ্রুত ফিরিয়ে আনা।
একক কর্তৃত্ববাদ ঠেকাতে জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ (সিনেট/উচ্চ পরিষদ) প্রতিষ্ঠা এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রদান।
নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী বিভাগ ও পুলিশি প্রভাবমুক্ত পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া। প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র ভোটের অধিকার আইন ও প্রযুক্তির মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিত করা।
সনাতন মুখস্থ শিক্ষার বদলে এআই, তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা। ১৮ বছর বয়সী সকল যুবকদের জন্য জাতীয় শৃঙ্খলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বমূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ চালু।
চিকিৎসা কোনো বিলাসিতা নয়—প্রতিটি নাগরিকের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে আধুনিক যন্ত্রপাতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা।
মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ফসল ক্রয়, আধুনিক হিমাগার স্থাপন এবং কৃষি খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও সার ভর্তুকি।
বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ ভিআইপি মর্যাদা ও হয়রানিমুক্ত সেবা। দূতাবাসে দ্রুত ডিজিটাল সেবা এবং জাতীয় নির্বাচনে পোস্টাল/অনলাইন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।
কোনো বহিঃশক্তির নতজানু নীতি নয়—জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়িত করা এবং সীমান্ত ও সমুদ্রসীমায় পূর্ণ আধিপত্য সুরক্ষা।
বেকারত্ব দূরীকরণে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে সুদমুক্ত স্টার্টআপ ফান্ড ও ব্যাংক ঋণের নিরাপত্তা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।
আইন সবার জন্য সমান। ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়া।
সারা দেশে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের কলম প্রতীকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদে গণমানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠা।
সরকারে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্নীতিমুক্ত করে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ রূপায়ন।
অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জন করে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
জনতার দলের জাতীয় কর্মকাণ্ড, মিডিয়া বিবৃতি ও তৃণমূল সাংগঠনিক তৎপরতার খবর।
রাজনীতিকে দূরে না ঠেলে নিজের ভবিষ্যৎ নিজে গড়ুন। জনতার দলের সদস্য হয়ে ইনসাফ ও সাম্যের লড়াইয়ে অংশ নিন এবং তাৎক্ষণিক ডিজিটাল মেম্বারশিপ কার্ড সংগ্রহ করুন।
ইনসাফ জিন্দাবাদ
জনতার দল কোনো লুটেরা বা মাফিয়ার কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে না। আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয় আপনাদের মতো সাধারণ ও সৎ নাগরিকের নিঃস্বার্থ অনুদানে।
যেকোনো গঠনমূলক প্রস্তাব, দলীয় অনুসন্ধান বা জেলা কমিটির যোগাযোগে আমরা সর্বদা আপনার পাশে আছি।
বনানী হাইটস, রোড ৮, ব্লক জি, বনানী, ঢাকা-১২১৩, বাংলাদেশ
info@janotardol.org • contact@jonotardol.com
প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত
আপনার মতামত, এলাকার সমস্যা বা পরামর্শ সরাসরি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দিন।