লোগো

জনতার দল

ইনসাফ জিন্দাবাদ

ডার্ক / লাইট মোড:
পরিচিতি ও দর্শন শীর্ষ নেতৃত্ব ১০ দফা ইশতেহার
সংবাদ ও প্রেস
মেনু
সদস্য নিবন্ধন যোগাযোগ
ডিজিটাল সদস্যপদ নিন
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল • প্রতীক: কলম • ইনসাফ জিন্দাবাদ

সাম্য, ন্যায্যতা ও প্রগতির রাজনীতিতে জনতার বাংলাদেশ

১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা এবং ২০২৪-এর ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাক্সক্ষা ধারণ করে—সাবেক সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, উদ্যমী তারুণ্য ও মেহনতি মানুষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি আদর্শনিষ্ঠ, আধুনিক ও ইনসাফভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তি।

প্রতিষ্ঠা তারিখ ২০ মার্চ ২০২৫
নির্বাচনী প্রতীক কলম (Pen)
দলীয় স্লোগান ইনসাফ জিন্দাবাদ
মূল নীতি সাম্য • ন্যায্যতা
জনতার দলের দলীয় পতাকা
অফিশিয়াল দলীয় পতাকা

গাঢ় সবুজ জমিনে ইনসাফ ও সততার চিরন্তন প্রতীক

কলম প্রতীক
নির্বাচনী প্রতীক কলম মার্কা
জনতার দল লোগো
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নিবন্ধিত দল
”

“রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করার সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো—তুমি তোমার চেয়ে অধম ও অযোগ্যদের দ্বারা শাসিত হবে।”

— মহান দার্শনিক প্লেটো
দলের পরিচিতি ও আত্মপ্রকাশ

কারো অন্ধ গোলামি নয়, রাজনীতির মহৎ রূপান্তর

রাজনীতি কোনো পারিবার কিংবা বিশেষ সিন্ডিকেটের ব্যবসার ক্ষেত্র নয়। আত্মমর্যাদাসম্পন্ন, শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করাই জনতার দলের মূল লক্ষ্য।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে চরম দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থপাচারে জর্জরিত হয়েছে। ২৪-এর জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার রক্ত স্বৈরাচারের লৌহকপাট ভেঙে দিয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ২০২৫ সালের ২০ মার্চ রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জনতার দল আত্মপ্রকাশ করে।

কেআইবি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক যাত্রা

রাজনীতি হবে সরোবরসম

জনতার দল বিশ্বাস করে, রাজনীতি কোনো নোংরা নর্দমা নয়—রাজনীতি হতে হবে প্রশান্ত ও স্বচ্ছ সরোবরসম। যেখানে সততা, জ্ঞান ও দক্ষতার স্ফুরণ ঘটবে। অসৎ চক্র যাতে দেশ শাসন করতে না পারে, সেজন্য যোগ্য ও ত্যাগী নাগরিকদের নির্দ্বিধায় দেশগঠনের রাজনীতিতে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাই।

মেধা ও নীতিভিত্তিক রাজনীতির অঙ্গীকার

সার্বভৌমত্ব ও সুশাসন

অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব, বিধিবদ্ধ প্রশাসনিক সংস্কার এবং দলীয়করণমুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থার নিশ্চয়তা। জওয়ান, নওজোয়ান ও পেশাজীবীদের সম্মিলিত শক্তিতে এক ইনসাফভিত্তিক আধুনিক কল্যাণরাষ্ট্র নির্মাণই আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্য।

পরিবারতন্ত্র ও অলিগার্কিমুক্ত বাংলাদেশ
জনতার দলের আত্মপ্রকাশ সভা
কেআইবি মিলনায়তনে ঐতিহাসিক আত্মপ্রকাশ সমাবেশ
সম্মিলিত দেশপ্রেমের শপথ

“দেশকে ভালোবাসলে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা কোনো দেশপ্রেম হতে পারে না।”

সাবেক সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জুলাই বিপ্লবের তরুণরা একত্রিত হয়েছেন এক অভিন্ন লক্ষ্যে—একটি ন্যায্য, স্বনির্ভর ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে। জনতার দল ব্যক্তিপূজা নয়, সুনির্দিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে বিশ্বাসী।

ঐক্যের মূল চালিকাশক্তি

জনতার দলের ত্রি-শক্তি স্তম্ভ

কর্মজীবীর শ্রম, তরুণের উদ্ভাবন আর জওয়ানের শৃঙ্খলা—এই তিন শক্তির অভূতপূর্ব মিলনেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ, ইনসাফপূর্ণ ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

স্তম্ভ ০১

জওয়ান

দেশরক্ষা, সার্বভৌমত্ব ও শৃঙ্খলার রক্ষক

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সকল পদবির সাবেক ও বর্তমান সদস্যবৃন্দ। তাঁদের সততা, আত্মত্যাগ, কঠিন শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেম আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা একটি দায়িত্বশীল ও সুশৃঙ্খল রাষ্ট্রীয় সংস্কৃতি গড়ে তুলব।

  • অটল জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব
  • প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ও জিরো টলারেন্স দুর্নীতি
  • সংকটকালীন দৃঢ় ও আপসহীন নেতৃত্ব
স্তম্ভ ০২

নওজোয়ান (জেন-জি)

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও আধুনিক চিন্তার ধারক

জুলাই আন্দোলনের বিপ্লবী তারুণ্য ও নতুন প্রজন্মের উদ্যমী মেধাবী সমাজ। তারা বাংলাদেশের আগামী দিনের স্থপতি। তাদের মেধা, বৈশ্বিক প্রযুক্তিজ্ঞান ও আধুনিকতাকে কাজে লাগিয়ে জনতার দল বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের নেতৃত্বে পৌঁছে দেবে।

  • তরুণ নেতৃত্ব ও প্রযুক্তিভিত্তিক শাসনব্যবস্থা
  • বাধ্যতামূলক কর্মমুখী ও ডিজিটাল দক্ষতা
  • উদ্ভাবনী স্টার্টআপ ও তারুণ্যের ক্ষমতায়ন
স্তম্ভ ০৩

পেশাজীবী ও শ্রমজীবী

জাতীয় অর্থনীতি ও উন্নয়নের মেরুদণ্ড

চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, আইনজীবী, উদ্যোক্তা, প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা, কারখানার শ্রমিক ও মেহনতি কৃষক। যাঁদের ঘাম ও শ্রমে প্রতিদিন বাংলাদেশ বেঁচে থাকে, তাঁদের সম্মান, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের অগ্রাধিকার।

  • কৃষকের ফসলের ন্যায্যমূল্য ও আধুনিক ভর্তুকি
  • শ্রমিকের বাঁচার মতো মজুরি ও সামাজিক নিরাপত্তা
  • প্রবাসী ভাই-বোনদের পূর্ণ সুরক্ষা ও ভোটাধিকার
কলম প্রতীক
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত

দলীয় প্রতীক: কলম

জ্ঞানের হাতিয়ার • ন্যায়ের স্বাক্ষর • দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ

নির্বাচনী ও দলীয় পরিচিতি

কেন জনতার দলের প্রতীক ‘কলম’?

অস্ত্র কিংবা পেশিশক্তির রাজনীতি নয়—জনতার দল বিশ্বাস করে কলমের শক্তিতে। পবিত্র সংবিধানে মানুষের মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ থাকে কলমের ডগায়; বিচারক অন্যায়কারীকে শাস্তি দেন ও মজলুমকে ইনসাফ প্রদান করেন কলমের স্বাক্ষরে।

কলম হলো মেধা, শিক্ষা, বিবেক ও সংস্কৃতির প্রতীক। দুর্নীতিগ্রস্ত কালো টাকার চক্র ভেঙে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সনদ লেখা হবে এই কলম দিয়েই। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সত্য, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে আপনার মূল্যবান রায় দিন জনতার দলের ‘কলম’ মার্কায়।

সত্য ও সততার স্বাক্ষর

অবিচারের বিরুদ্ধে মানুষের নৈতিক শক্তি প্রকাশ করে কলম।

শিক্ষা ও মেধার প্রতীক

পেশিশক্তি ও সিন্ডিকেট ধ্বংস করে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন।

স্বচ্ছ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব

জনতার দলের শীর্ষ নেতৃত্ব

রাজনীতিতে সততা ও শৃঙ্খলার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে দেশবরেণ্য সাবেক সামরিক কর্মকর্তা, অভিজ্ঞ সংগঠক ও তরুণ নেতৃত্বের আত্মপ্রকাশ।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ শামীম কামাল চেয়ারম্যান

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মোঃ শামীম কামাল

প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান / আহ্বায়ক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মজীবনের শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও সংস্কার ভাবনা নিয়ে জনতার দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে জনতার দলের প্রার্থী।

লালমনিরহাট-২ ও কেন্দ্রীয় নীতিনির্ধারণ
আজম খান মহাসচিব

আজম খান

মহাসচিব / সদস্য সচিব

দলের অন্যতম শীর্ষ নীতিনির্ধারক ও সাংগঠনিক কাঠামোর প্রধান সমন্বয়ক। তৃণমূলের কর্মীদের সাথে সুদৃঢ় মেলবন্ধন এবং সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

সাংগঠনিক বিস্তার ও প্রশাসনিক সমন্বয়
ডেল এইচ খান মুখপাত্র

ডেল এইচ খান

কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মুখপাত্র

দলের মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনমত তৈরিতে দায়িত্ব পালনকারী বলিষ্ঠ বক্তা। সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে দলের সুনির্দিষ্ট অবস্থান তুলে ধরেন।

মিডিয়া যোগাযোগ ও প্রেস ব্রিফিং
কাজী আবদুল্লাহ যুব সভাপতি

কাজী আবদুল্লাহ

সভাপতি, যুব ক্ষমতায়ন ও বৈদেশিক বিনিয়োগ

তরুণদের স্টার্টআপ তহবিল, কর্মসংস্থান ও প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বিনিয়োগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিক রূপরেখা প্রণয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

যুব কর্মসংস্থান ও প্রবাসী বিনিয়োগ
রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্পষ্ট রূপরেখা

জনতার দলের ১০ দফা রাজনৈতিক ইশতেহার

কোনো ফাঁকা বুলি নয়—একটি কার্যকর, বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আমাদের সুনির্দিষ্ট নীতি ও বাস্তবায়ন অঙ্গীকার।

১

পরিবারতন্ত্র ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন

রাজনীতি ও রাষ্ট্রের ক্ষমতা কতিপয় পরিবারের জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করে সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালনা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ও দুর্নীতিবাজদের পাচারকৃত অর্থ দ্রুত ফিরিয়ে আনা।

২

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ

একক কর্তৃত্ববাদ ঠেকাতে জাতীয় সংসদে উচ্চকক্ষ (সিনেট/উচ্চ পরিষদ) প্রতিষ্ঠা এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রদান।

৩

স্বাধীন নির্বাচন কমিশন ও নিরপেক্ষ ভোটাধিকার

নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী বিভাগ ও পুলিশি প্রভাবমুক্ত পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া। প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র ভোটের অধিকার আইন ও প্রযুক্তির মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিত করা।

৪

আধুনিক শিক্ষা ও বাধ্যতামূলক তারুণ্য প্রশিক্ষণ

সনাতন মুখস্থ শিক্ষার বদলে এআই, তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা। ১৮ বছর বয়সী সকল যুবকদের জন্য জাতীয় শৃঙ্খলা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বমূলক মৌলিক প্রশিক্ষণ চালু।

৫

সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসম্মত চিকিৎসা

চিকিৎসা কোনো বিলাসিতা নয়—প্রতিটি নাগরিকের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা প্রণয়ন এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে আধুনিক যন্ত্রপাতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা।

৬

কৃষকের ফসলের ন্যায্যমূল্য ও খাদ্য নিরাপত্তা

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে ফসল ক্রয়, আধুনিক হিমাগার স্থাপন এবং কৃষি খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও সার ভর্তুকি।

৭

প্রবাসী বাংলাদেশিদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার

বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ ভিআইপি মর্যাদা ও হয়রানিমুক্ত সেবা। দূতাবাসে দ্রুত ডিজিটাল সেবা এবং জাতীয় নির্বাচনে পোস্টাল/অনলাইন ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।

৮

বলিষ্ঠ সার্বভৌমত্ব ও অটল জাতীয় নিরাপত্তা

কোনো বহিঃশক্তির নতজানু নীতি নয়—জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়িত করা এবং সীমান্ত ও সমুদ্রসীমায় পূর্ণ আধিপত্য সুরক্ষা।

৯

অর্থনৈতিক মুক্তি ও মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থান

বেকারত্ব দূরীকরণে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে সুদমুক্ত স্টার্টআপ ফান্ড ও ব্যাংক ঋণের নিরাপত্তা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।

১০

ইনসাফ ও আইনের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা

আইন সবার জন্য সমান। ধনী-গরিব নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সাংবিধানিকভাবে নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়া।

জনতার দলের রূপরেখা ও পথনকশা (Roadmap)

স্বল্পমেয়াদী রূপরেখা (২০২৬–২৭)

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাফল্য

সারা দেশে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের কলম প্রতীকে মনোনয়ন দিয়ে সংসদে গণমানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠা।

মধ্যমেয়াদী রূপরেখা (৫–১০ বছর)

শাসনব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কার

সরকারে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্নীতিমুক্ত করে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ রূপায়ন।

দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা (১০–১৫ বছর)

স্বনির্ভর আধুনিক কল্যাণরাষ্ট্র

অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা অর্জন করে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।

সাম্প্রতিক হালনাগাদ

সংবাদ ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি

জনতার দলের জাতীয় কর্মকাণ্ড, মিডিয়া বিবৃতি ও তৃণমূল সাংগঠনিক তৎপরতার খবর।

স্বেচ্ছাসেবক ও সদস্যপদ

অনলাইন সদস্য নিবন্ধন ও ডিজিটাল কার্ড

রাজনীতিকে দূরে না ঠেলে নিজের ভবিষ্যৎ নিজে গড়ুন। জনতার দলের সদস্য হয়ে ইনসাফ ও সাম্যের লড়াইয়ে অংশ নিন এবং তাৎক্ষণিক ডিজিটাল মেম্বারশিপ কার্ড সংগ্রহ করুন।

সর্বোচ্চ ২ মেগাবাইট (JPG/PNG)

তাৎক্ষণিক মেম্বারশিপ কার্ড

বামপাশের ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করে সাবমিট করুন। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার নামে একটি কিউআর কোডসহ অফিসিয়াল ডিজিটাল পরিচয়পত্র তৈরি হয়ে যাবে।

স্বচ্ছ রাজনৈতিক অর্থায়ন

কালো টাকা ও সিন্ডিকেটের বদলে জনগণের অর্থে রাজনীতি

জনতার দল কোনো লুটেরা বা মাফিয়ার কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে না। আমাদের প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয় আপনাদের মতো সাধারণ ও সৎ নাগরিকের নিঃস্বার্থ অনুদানে।

বিকাশ (bKash) ০১৩২২-৯৩২১০৫
নগদ (Nagad) ০১৩২২-৯৩২১০৫
রকেট (Rocket) ০১৩২২-৯৩২১০৫
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জনতার দল তহবিল
কেন্দ্রীয় দপ্তর

সরাসরি যোগাযোগ করুন

যেকোনো গঠনমূলক প্রস্তাব, দলীয় অনুসন্ধান বা জেলা কমিটির যোগাযোগে আমরা সর্বদা আপনার পাশে আছি।

কেন্দ্রীয় কার্যালয়

বনানী হাইটস, রোড ৮, ব্লক জি, বনানী, ঢাকা-১২১৩, বাংলাদেশ

টেলিফোন ও হটলাইন

+880 1322-932105

অফিসিয়াল ইমেইল

info@janotardol.org • contact@jonotardol.com

দপ্তর খোলার সময়সূচী

প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত

কেন্দ্রীয় সেলে বার্তা প্রেরণ

আপনার মতামত, এলাকার সমস্যা বা পরামর্শ সরাসরি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে জমা দিন।